ট্রেন্ড বনাম পারফেক্ট হেয়ার স্টাইল
আজকাল ছেলেদের মধ্যে হেয়ার স্টাইল নিয়ে আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে। তেমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। সোশ্যাল মিডিয়া, ইনফ্লুয়েন্সার, K-pop, বলিউড কিংবা ফুটবল তারকাদের দেখে অনেকেই নিজের চুলের স্টাইল নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে চায়। কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো, ট্রেন্ডি হেয়ার স্টাইল নাকি পারফেক্ট হেয়ার স্টাইল? কোনটা বেছে নেবে?
ট্রেন্ডি হেয়ার স্টাইল মানে হলো এখন যা চলছে, যেমনঃ
টেক্সচারড টপ সহ ফেড হেয়ারস্টাইল
টেক্সচারড টপ সহ ফেড হেয়ারস্টাইল, এটি স্মার্ট ও কুল লুক দেয়। টেক্সচারড টপ সহ ফেড হেয়ারস্টাইল মানে উপরের চুলগুলো এলোমেলোভাবে স্টাইল করা আর পাশের দিকগুলো ধীরে ধীরে ছোট করে কাটা হয়।


কার্টেন ব্যাংস
কার্টেন ব্যাংস হলো K-pop ফ্যানদের ফেভারিট। মাঝখান থেকে ভাগ করা সামনে ঝোলা চুল যা পর্দার মতো মুখের দুই পাশে পড়ে সেটাই কার্টেন ব্যাংস। এটা মুখের শেপ সফট দেখায় আর স্টাইলিশ ও কিউট লুক দেয়।নিজের পছন্দের তারকার মত চুল রাখার মজাই আলাদা!


পার্ম করা কোঁকড়ানো চুল
পার্ম করা কোঁকড়ানো চুল সাথে ফেড। পার্ম করা কোঁকড়ানো চুল মানে চুলে কেমিকাল দিয়ে স্থায়ীভাবে ঢেউ বা কোঁকড়ানো স্টাইল আনা হয়।এটা চুলকে ভলিউম দেয় আর ইউনিক করে।


মেসি ফ্রিঞ্জ
মেসি ফ্রিঞ্জ নিচু কপাল বা হার্ট শেপ ফেসের জন্য ভালো। মেসি ফ্রিঞ্জ হলো সামনের চুলগুলো এলোমেলোভাবে কাটা ও স্টাইল করা, যেন একটু অগোছালো লাগে। এটা চেহারায় ক্যাজুয়াল, কুল আর হালকা রফ লুক এনে দেয়।
এই স্টাইলগুলো দেখতে দারুণ, তবে সব সময় সবার মুখের বা চুলের ধরনের সাথে মানায় না। পারফেক্ট হেয়ার স্টাইল হলো এমন স্টাইল যা তোমার মুখের শেইপ, হেয়ার টাইপ ও লাইফস্টাইলের সঙ্গে ম্যাচ করে। যেমনঃ


ক্লাসিক সাইড পার্ট
ক্লাসিক সাইড পার্ট অফিস, কলেজ ও যেকোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে যায়।


স্পোর্টি লুক
রাউন্ড মুখের জন্য স্পোর্টি লুক মানে ছোট, হালকা ফেড কাটা চুল যা মুখকে শার্প আর লম্বা দেখায়।
এটা অ্যাকটিভ, ক্লিন ও ফ্রেশ ভাইব দেয়, বিশেষ করে ছেলেদের জন্য পারফেক্ট। মাথার উপরের এবং পাশে চুল কিছুটা ছোট থাকলে সহজ মেইনটেনেন্সে স্পোর্টি লুক দেয়।


বোনাস টিপস:
1. ট্রেন্ড ফলো করো, কিন্তু নিজের চেহারা ও চুলের ধরন বুঝে।
2. নিজের কনফিডেন্স সবচেয়ে বড়, তোমার ভেতরের স্টাইল তোমাকে আলাদা করে তুলবে।
ট্রেন্ড বদলাবে, কিন্তু স্টাইল যদি নিজের মতো হয়, তখনই সেটা পারফেক্ট হয়। তোমার আশেপাশে অনেক হেয়ারস্টাইল দেখবে ও সেসব থেকে খুঁজে নেবে তোমার সিগনেচার হেয়ারস্টাইল। কখনো চুল কাটা মনমতো না হলে হার মানলে চলবেনা। এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যাও। নিজের পছন্দের হেয়ারস্টাইল বেছে নিয়ে কনফিডেেন্ট ও আত্মবিশ্বাসী হও।
আশা করি এই লেখাটি তোমাদের ভালো লেগেছে। ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারো। এরকরম আরো মজার মজার আইডিয়া জানতে এবং ব্লগ পড়তে ভিজিট করো the7teen.com
ওহ,ছেলেদের দুরন্ত বয়ঃসন্ধি বইটিও কিন্তু পেয়ে যাবে আমাদের কাছে 7teen ফেসবুক পেইজে নক করলেই!






